পচা ডিম আর কাপড়ে ব্যবহার করা রং। এই দুটি উপকরণ ময়দার সঙ্গে মিশিয়ে তৈরি হচ্ছিল জন্মদিনের সুস্বাদু কেক! তবে প্রিয়জনকে এই উপহার দেওয়ার আগেই ...
পচা ডিম আর কাপড়ে ব্যবহার করা রং। এই দুটি উপকরণ ময়দার সঙ্গে মিশিয়ে তৈরি হচ্ছিল জন্মদিনের সুস্বাদু কেক! তবে প্রিয়জনকে এই উপহার
দেওয়ার আগেই বেকারিটি সিলগালা করে দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
রাজশাহী নগরের বাকীর মোড় এলাকায় শাহ মখদুম বেকারিতে এভাবেই তৈরি হয়ে আসছিল জন্মদিনের কেকসহ নানা খাবার। গতকাল শনিবার বিকেলে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত বেকারিটিতে অভিযান চালিয়ে কারখানা সিলগালা করে দেওয়াসহ মালিককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন।
কারখানার মালিক সাজ্জাদুল ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাছে স্বীকার করেছেন, তিনি খামারিদের কাছে থেকে অল্প দামে পচা ডিম কিনে তা কেক তৈরিতে ব্যবহার করতেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী হাকিম আলমগীর কবির জানান, বিএসটিআইয়ের অনুমোদনহীন ওই বেকারিটিতে পচা ডিম দিয়ে কেক তৈরি করা হচ্ছিল। জন্মদিনের রঙিন কেক বানাতে ব্যবহার করা হচ্ছিল মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর কাপড়ে ব্যবহার করা রং। কারখানার ভেতরের পরিবেশও অস্বাস্থ্যকর। খাবারের ওপর মাছি ভন-ভন করছিল।
আলমগীর কবির জানান, বিএসটিআইয়ের ১৯৮৫ সালের অধ্যাদেশ ও বিশুদ্ধ খাদ্য আইন অনুযায়ী কারখানার মালিক সাজ্জাদুলকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। কারখানাটি তাৎক্ষণিক সিলগালা করে দেওয়ার পাশাপাশি সেখানে থাকা অস্বাস্থ্যকর খাদ্যদ্রব্যও ধ্বংস করা হয়।
অভিযানে রাজপাড়া থানা-পুলিশের একটি দল ভ্রাম্যমাণ আদালতকে সহযোগিতা করে।
এদিকে নগরের লক্ষ্মীপুর এলাকার খুকুমণি বেকারিতেও গতকাল ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করেন। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য তৈরি করায় বেকারির মালিক আলিম উদ্দিনকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে কারখানাটি সিলগালা করে দেওয়া হয় বলে জানান নির্বাহী হাকিম আলমগীর কবির।
৫০ হাজার টাকা জরিমানা
সার্বক্ষিণক চিকিৎসক ও নার্সের ব্যবস্থা না রেখেই চলছিল নগরের লক্ষ্মীপুর এলাকার আল মদিনা নার্সিং হোম হাসপাতাল। গতকাল সেখানে অভিযান চালান ভ্রাম্যমাণ আদালত।
এ সময় কোনো চিকিৎসক ও নার্সের দেখা না মিললেও চারজন রোগী পাওয়া গেছে।
অভিযান পরিচালনা করা নির্বাহী হাকিম শিমুল আক্তার বলেন, সার্বক্ষণিক চিকিৎসক ও নার্স ছাড়াই হাসপাতাল পরিচালনার দায়ে মালিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে মালিক জরিমানার টাকা সঙ্গে সঙ্গে পরিশোধ করেন।
অভিযানের সময় এই হাসপাতালের চারটি শয্যায় রোগী পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে দুজনের অস্ত্রোপচার হয়েছে। রোগীদের কোনো সমস্যা হলেও দেখার কোনো চিকিৎসক নেই। নির্বাহী হাকিম বলেন, নিয়ম অনুযায়ী ১০ শয্যার একটি হাসপাতালে সার্বক্ষণিক একজন চিকিৎসক ও দুজন নার্স থাকার কথা।
নগরের দুটি রোগনির্ণয়কেন্দ্র লেজার ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও একতা ডায়াগনস্টিক সেন্টারেও গতকাল অভিযান চালান ভ্রাম্যমাণ আদালত। বিভিন্ন অনিয়মের কারণে প্রত্যেক সেন্টারকে পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।
:(
দেওয়ার আগেই বেকারিটি সিলগালা করে দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
রাজশাহী নগরের বাকীর মোড় এলাকায় শাহ মখদুম বেকারিতে এভাবেই তৈরি হয়ে আসছিল জন্মদিনের কেকসহ নানা খাবার। গতকাল শনিবার বিকেলে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত বেকারিটিতে অভিযান চালিয়ে কারখানা সিলগালা করে দেওয়াসহ মালিককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন।
কারখানার মালিক সাজ্জাদুল ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাছে স্বীকার করেছেন, তিনি খামারিদের কাছে থেকে অল্প দামে পচা ডিম কিনে তা কেক তৈরিতে ব্যবহার করতেন।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী হাকিম আলমগীর কবির জানান, বিএসটিআইয়ের অনুমোদনহীন ওই বেকারিটিতে পচা ডিম দিয়ে কেক তৈরি করা হচ্ছিল। জন্মদিনের রঙিন কেক বানাতে ব্যবহার করা হচ্ছিল মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর কাপড়ে ব্যবহার করা রং। কারখানার ভেতরের পরিবেশও অস্বাস্থ্যকর। খাবারের ওপর মাছি ভন-ভন করছিল।
আলমগীর কবির জানান, বিএসটিআইয়ের ১৯৮৫ সালের অধ্যাদেশ ও বিশুদ্ধ খাদ্য আইন অনুযায়ী কারখানার মালিক সাজ্জাদুলকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। কারখানাটি তাৎক্ষণিক সিলগালা করে দেওয়ার পাশাপাশি সেখানে থাকা অস্বাস্থ্যকর খাদ্যদ্রব্যও ধ্বংস করা হয়।
অভিযানে রাজপাড়া থানা-পুলিশের একটি দল ভ্রাম্যমাণ আদালতকে সহযোগিতা করে।
এদিকে নগরের লক্ষ্মীপুর এলাকার খুকুমণি বেকারিতেও গতকাল ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান পরিচালনা করেন। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য তৈরি করায় বেকারির মালিক আলিম উদ্দিনকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে কারখানাটি সিলগালা করে দেওয়া হয় বলে জানান নির্বাহী হাকিম আলমগীর কবির।
৫০ হাজার টাকা জরিমানা
সার্বক্ষিণক চিকিৎসক ও নার্সের ব্যবস্থা না রেখেই চলছিল নগরের লক্ষ্মীপুর এলাকার আল মদিনা নার্সিং হোম হাসপাতাল। গতকাল সেখানে অভিযান চালান ভ্রাম্যমাণ আদালত।
এ সময় কোনো চিকিৎসক ও নার্সের দেখা না মিললেও চারজন রোগী পাওয়া গেছে।
অভিযান পরিচালনা করা নির্বাহী হাকিম শিমুল আক্তার বলেন, সার্বক্ষণিক চিকিৎসক ও নার্স ছাড়াই হাসপাতাল পরিচালনার দায়ে মালিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে মালিক জরিমানার টাকা সঙ্গে সঙ্গে পরিশোধ করেন।
অভিযানের সময় এই হাসপাতালের চারটি শয্যায় রোগী পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে দুজনের অস্ত্রোপচার হয়েছে। রোগীদের কোনো সমস্যা হলেও দেখার কোনো চিকিৎসক নেই। নির্বাহী হাকিম বলেন, নিয়ম অনুযায়ী ১০ শয্যার একটি হাসপাতালে সার্বক্ষণিক একজন চিকিৎসক ও দুজন নার্স থাকার কথা।
নগরের দুটি রোগনির্ণয়কেন্দ্র লেজার ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও একতা ডায়াগনস্টিক সেন্টারেও গতকাল অভিযান চালান ভ্রাম্যমাণ আদালত। বিভিন্ন অনিয়মের কারণে প্রত্যেক সেন্টারকে পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।
:(