কিমা পুরি নামটিতেই কেমন যেন একটা আভিজাত্য, তাই না। আর খেতে তো দারুন। ছোটো বড় সকলেরই বেশ পছন্দের। বিশেষ করে বিকেলে নাস্তা এবং মেহমানদারীতে...
কিমা পুরি নামটিতেই কেমন যেন একটা আভিজাত্য, তাই না। আর খেতে তো দারুন। ছোটো বড় সকলেরই বেশ পছন্দের। বিশেষ করে বিকেলে নাস্তা এবং মেহমানদারীতে এই খাবারটি বেশ চলে। বাজার থেকে কিনে আনা কিমা পুরির চেয়ে ঘরে তৈরি কিমা পুরির স্বাদ আসলেই আলাদা এবং তা অবশ্যই স্বাস্থ্যকরও বটে। আর এটি তৈরিতে মোটেই ঝামেলা নেই। চলুন, শিখে নেওয়া যাক, ঝামেলাবিহীন কিমা পুরি তৈরির সহজ রেসিপিটি।
উপকরণঃ
পুরের জন্য- আধা কাপ মাংস কিমা(খাসি/গরু/মুরগি)- ১/৪ কাপ পেঁয়াজ কুচি- ৩-৪ টি কাঁচা মরিচ কুচি- আধা চা চামচ হলুদ গুঁড়ো- আধা চা চামচ জিরা গুঁড়ো- আধা চা চামচ গরম মসলা গুঁড়ো- আধা চা চামচ কাবাব মসলা- ১ চা চামচ আদা-রসুন বাটা- ২ চা চামচ ধনে পাতা কুচি- ১ টেবিল চামচ তেল- লবণ স্বাদমতো
পুরির জন্য– ২ কাপ ময়দা- ৩ টেবিল চামচ তেল/ঘি- আধা চা চামচ লবণ- কুসুম গরম পানি পরিমাণ মতো- তেল ভাজার জন্য
পদ্ধতিঃ- একটি প্যানে তেল গরম করে এতে পেয়াঁজ কুচি দিয়ে নরম না হওয়া পর্যন্ত নেড়ে নিন। এরপর এতে দিন আদা-রসুন বাটা, হলুদ গুঁড়ো, জিরা গুঁড়ো, লবন, কাঁচা মরিচ কুচি। কিছুক্ষণ নেড়ে মসলা থেকে তেল আলাদা হলে মাংসের কিমা দিয়ে নাড়তে থাকুন।
- সামান্য পানি দিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন। কিমা সেদ্ধ হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন। এরপর ঢাকনা খুলে দিয়ে কিমার অতিরিক্ত পানি শুকিয়ে ফেলুন। এবং ঝরঝরে কিমার পুর তৈরি করে নিন।
- ডো তৈরির জন্য একটি বড় বোলে ময়দা, লবন এবং তেল নিয়ে ভালভাবে মিশিয়ে নিন যেন তেল ময়দাটা খাস্তা হয়ে যায়। এরপর অল্প করে কুসুম গরম পানি দিয়ে ময়দা মাখিয়ে ডো তৈরি হওয়া পর্যন্ত ভালো করে মেখে নিন।
- রুটি বেলার মতো ডো তৈরি হলে ছোট ছোট বল আকারে ভাগ করে নিন। একটি বল নিয়ে গোল বাটির মত বানিয়ে তাতে কিমার পুর দিন এবং বাটির মুখ এমনভাবে বন্ধ করুন যেন কিমার পুর বলের ভেতরে থাকে। এভাবে সব বলগুলো কিমার পুর দিয়ে তৈরী করে নিন।
- পুরো ভরা একটি বল নিয়ে রুটি বেলার মতো করে ছোটো গোল রুটি বেলে নিন। লক্ষ্য রাখবেন যেনো ভেতরের পুর বেড়িয়ে না পড়ে। প্রতিটি রুটি ১ সেন্টিমিটারের মতো পুরু হলে ভালো হবে। এভাবে সব পুরি তৈরি করে নিন।
- এরপর একটি প্যানে ডুবো তেলে ভাজার জন্য তেল গরম করে নিন এবং খুব সাবধানে ১ টি করে পুরি তেলে ছেড়ে ভাজুন। সাবধানে ভাজবেন যেনো পুরি ফুলে উঠে। এরপর পুরি উল্টে নিয়ে অপর পিঠও বাদামী করে ভেজে একটি কিচেন টিস্যুতে নামিয়ে নিন। এতে অতিরিক্ত তেল শুষে যাবে।
ব্যস, সব ভাজা হয়ে গেলে এবার সসের সাথে গরম গরম কিমা পুরির স্বাদ নিন।
ঘরে বসেই তৈরি করুন সুস্বাদু কিমা পুরি
পুরের জন্য- আধা কাপ মাংস কিমা(খাসি/গরু/মুরগি)- ১/৪ কাপ পেঁয়াজ কুচি- ৩-৪ টি কাঁচা মরিচ কুচি- আধা চা চামচ হলুদ গুঁড়ো- আধা চা চামচ জিরা গুঁড়ো- আধা চা চামচ গরম মসলা গুঁড়ো- আধা চা চামচ কাবাব মসলা- ১ চা চামচ আদা-রসুন বাটা- ২ চা চামচ ধনে পাতা কুচি- ১ টেবিল চামচ তেল- লবণ স্বাদমতো
পুরির জন্য– ২ কাপ ময়দা- ৩ টেবিল চামচ তেল/ঘি- আধা চা চামচ লবণ- কুসুম গরম পানি পরিমাণ মতো- তেল ভাজার জন্য
- সামান্য পানি দিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে দিন। কিমা সেদ্ধ হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন। এরপর ঢাকনা খুলে দিয়ে কিমার অতিরিক্ত পানি শুকিয়ে ফেলুন। এবং ঝরঝরে কিমার পুর তৈরি করে নিন।
- ডো তৈরির জন্য একটি বড় বোলে ময়দা, লবন এবং তেল নিয়ে ভালভাবে মিশিয়ে নিন যেন তেল ময়দাটা খাস্তা হয়ে যায়। এরপর অল্প করে কুসুম গরম পানি দিয়ে ময়দা মাখিয়ে ডো তৈরি হওয়া পর্যন্ত ভালো করে মেখে নিন।
- রুটি বেলার মতো ডো তৈরি হলে ছোট ছোট বল আকারে ভাগ করে নিন। একটি বল নিয়ে গোল বাটির মত বানিয়ে তাতে কিমার পুর দিন এবং বাটির মুখ এমনভাবে বন্ধ করুন যেন কিমার পুর বলের ভেতরে থাকে। এভাবে সব বলগুলো কিমার পুর দিয়ে তৈরী করে নিন।
- পুরো ভরা একটি বল নিয়ে রুটি বেলার মতো করে ছোটো গোল রুটি বেলে নিন। লক্ষ্য রাখবেন যেনো ভেতরের পুর বেড়িয়ে না পড়ে। প্রতিটি রুটি ১ সেন্টিমিটারের মতো পুরু হলে ভালো হবে। এভাবে সব পুরি তৈরি করে নিন।
- এরপর একটি প্যানে ডুবো তেলে ভাজার জন্য তেল গরম করে নিন এবং খুব সাবধানে ১ টি করে পুরি তেলে ছেড়ে ভাজুন। সাবধানে ভাজবেন যেনো পুরি ফুলে উঠে। এরপর পুরি উল্টে নিয়ে অপর পিঠও বাদামী করে ভেজে একটি কিচেন টিস্যুতে নামিয়ে নিন। এতে অতিরিক্ত তেল শুষে যাবে।
ব্যস, সব ভাজা হয়ে গেলে এবার সসের সাথে গরম গরম কিমা পুরির স্বাদ নিন।